সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে চর্চা ও তোলপাড় শুরু হয়েছে। বয়সের বিরাট ব্যবধানে কম বয়সী এক নারীকে বিয়ে করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটিজেন ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
তবে সমালোচকদের এক হাত নিয়ে এবং বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক ব্যাখ্যা তুলে ধরে সোশাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সাবেক এমপির এমন সিদ্ধান্ত সামাজিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
অন্যদিকে, একটি পক্ষ ঘটনাটির আইনি ও ধর্মীয় দিক তুলে ধরে বলছেন, ভিকটিম বা কনে নিজে এবং তার বাবা উভয়েই নিশ্চিত করেছেন যে এটি একটি বৈধ বিবাহিত সম্পর্ক। এমনকি কনের বয়স যদি সামান্য কমও হয়ে থাকে, তবে উভয়ের সম্মতি ও বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর ‘ফ্যাক্টাম ভ্যালিড’ (Factum Valet) নীতির আওতায় এই বিয়ে আইনগত সুরক্ষা পায়। পাশাপাশি একাধিক বিয়ে ইসলাম ও দেশের প্রচলিত আইনে কোনো অপরাধ হিসেবে গণ্য নয়।
নেটদুনিয়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্টও ঘুরপাক খাচ্ছে। এক সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারী রসিকতা করে লেখেন, “যাদের বিবেক, অন্তর বা মন জ্বলছে, তাদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।”
সব মিলিয়ে সাবেক এই জামায়াত নেতার ব্যক্তিগত জীবন ও কম বয়সী স্ত্রীকে নিয়ে অনলাইন ও অফলাইনে বিতর্ক এখন সাতক্ষীরা জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

